২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং
Breaking::

রামেক’এ ছাত্রলীগের হামলা ও মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ শিবিরের

শিবির-622x350

রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিবির কর্মী ও সাধারণ ছাত্রদের উপর ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হামলা, ৪ শিবির কর্মী গ্রেপ্তার ও ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে যুগান্তরের বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শিবির।

এক প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত ও সেক্রেটারী জেনারেল মোবারক হোসাইন বলেন, গতকাল রামেক’ এ গভীর রাতে শিবির নেতাকর্মী ও সাধারণ ছাত্রদের উপর হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে ছাত্রলীগের বহিরাগত সন্ত্রাসীরা। প্রকাশ্যে বহিরাগত ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সাধারণ ছাত্রদের উপর হামলা ও কক্ষ ভাংচুর চালালেও পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যময়। পুলিশ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের পরিবর্তে অন্যায় ভাবে নিরপরাধ ৪ শিবির কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দৈনিক যুগান্তর এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্রশিবির কর্মীরা ফাকা গুলি ছুড়েছে, হামলা করেছে। যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ঘৃন্য মিথ্যাচার। মূল ঘটনা হলো র্যাগ ডে কে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ চাঁদাবাজী করতে গেলে সাধারণ ছাত্রদের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশের সামনে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে রামেক ইন্টার্নি হলে হামলা চালিয়ে ভাংচুর লুটপাট করে। এতে তিন ছাত্র আহত হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে নিরব ভূমিকা পালন করে। পরে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের নির্দেশনা অনুযায়ী উল্টো হলে তল্লাসীর নামে ৪ শিবির কর্মীকে গ্রেপ্তার ও জিহাদী বই এবং অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজায় পুলিশ। আর যুগান্তর ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম আড়াল করতে ছাত্রশিবিরের নামে মিথ্যাচার ও সাজানো নাটক প্রচার করে। একটি শান্ত ক্যাম্পাসকে পরিকল্পিত ভাবে অস্থিতিশীল করার জন্য ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, পুলিশের দায়িত্বহীন ভূমিকা ও যুগান্তরের মিথ্যাচার সমান ভাবে দায়ী বলে ছাত্রসমাজ মনে করে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যত বারই ছাত্রলীগ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে তান্ডব চালিয়েছে দু:খজনক ভাবে তত বারই পুলিশ ও কিছু গণমাধ্যম সন্ত্রাসীদের সহযোগির ভূমিকা পালনের মাধ্যমে মদদ যুগিয়েছে। যা ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে। ফলে ক্যাম্পাসগুলো আজ ভীতির রাজ্যে পরিণত হয়েছে।

আমরা হুশিয়ার করে বলতে চাই, সাধারণ ছাত্রদের উপর অব্যাহত সন্ত্রাসী হামলা, গ্রেপ্তার ও অপপ্রচার মেনে নেয়া হবেনা। অবিলম্বে চিহ্নিত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। গ্রেপ্তারকৃত নিরপরাধ শিবির নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। একই সাথে সাংবাদিকতার লেবাসে দলীয় মিথ্যাচার বন্ধ করার আহবান জানাচ্ছি।

নেতৃবৃন্দ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও পুলিশি হয়রানী বন্ধ এবং মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।

বিজ্ঞপ্তি