২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং
Breaking::

পদত্যাগ করবেন না সালাউদ্দিন

salauddin

মতিঝিল বাফুফে ভবনের সামনে আজও অব্যাহত ছিল ফুটবল সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন এই সমর্থকেরা। ভবনের বাইরে যখন সমর্থকের আন্দোলনে ব্যস্ত, ভেতরে সংবাদ সম্মেলন করলেন কাজী সালাউদ্দিন।

ফুটবলের এই দুর্দিনে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু পদত্যাগ করার কোনো ইচ্ছায় তাঁর নেই। ভুটানের সঙ্গে হারের পর এই প্রথম গণমাধ্যমে মুখ খুললেন কাজী সালাউদ্দিন। ভুটানের সঙ্গে এমন বিপর্যয় ঘটবে, সেটা নাকি তিনি আগেই জানতেন, ‘অবশ্যই এটা আমাদের ফুটবলের জন্য খুব দুঃখের সময়। আপনারা এই বাজে পারফরম্যান্স দেখে যত কষ্ট পেয়েছেন, আমরাও ততটাই পেয়েছি। তবে আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত। আমি এই হার আগেই অনুমান করেছিলাম। কারণ জাতীয় দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, ফুটবলারদের পারফরম্যান্স ও লিগের কাঠামো দেখে আমার মনে হয়েছিল ভুটানে আমরা জিতব না।’
জাতীয় দলের জন্য যা যা সুযোগ-সুবিধা সবই দিয়েছেন বলে মনে করেন তিনি। তারপরও দলের এমন পারফরম্যান্স দুঃখজনক বলেই জানালেন, ‘বাফুফে কর্মকর্তা হিসেবে আমরা জাতীয় দলের কোচ, ট্রেনিং, আবাসনসুবিধা—সবই দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এগুলো নিয়ে কোনো ঘাটতি ছিল না। আমি এটা পারিনি যে আমি নিজে মাঠে গিয়ে খেলে আসব। ওটা পারলে আমি ও সালাম মুর্শেদি গিয়ে খেলে আসতাম। আমাদের দুর্ভাগ্য যে সেটার সুযোগ নেই।’

এই হার থেকেই শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চান সালাউদ্দিন। ফুটবলার তুলে আনার পুরোনো পরিকল্পনার কথাই নতুন করে বললেন, ‘এত সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরও জাতীয় দলের পারফরম্যান্স আশানুরূপ হচ্ছে না। এর মানে শেষ পর্যন্ত আমরা উপলব্ধি করলাম, এই গুটি কয়েক ফুটবলার ভালো খেলার জন্য যথেষ্ট নয়। জানুয়ারি থেকে নতুন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছি আমরা। ডিসেম্বরে সোহরাওয়ার্দী কাপ, এরপর হবে শেরেবাংলা কাপ। এ ছাড়া প্রতিবছর অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল লিগ করব।’
এবার কোনো ক্লাব যদি খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেবে বাফুফে। দেখা যাক, এসব প্রেসক্রিপশন কোনো কাজে আসে কি না।