২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং
Breaking::

মানসিক রোগীরা সমাজের বোঝা নয়

untitled

মানসিক রোগীরা সমাজের বোঝা নয় বরং তারা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মানসিক রোগীরা মানসিকভাবে দুর্বল থাকলেও সবার সহযোগিতায় তারা আবার সুস্থ জীবন লাভ করতে পারে। এজন্য প্রয়োজন সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা।
সোমবার (১০ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা একথা বলেন।

মানববন্ধনটির আয়োজন করে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতি। এছাড়া মানববন্ধনে ২৬টি সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মাহমুদুর রহমান বলেন, একজন মানসিক রোগী প্রথমত সে মানসিক রোগী হিসেবে জন্ম নেয় না। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে সে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এজন্য আমরা যদি তাদেরকে অবহেলা না করে তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই তাহলে তারা আবার সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। এছাড়া সুস্থ জীবন ও সমাজ গঠনে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার বিষয়টিকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ব্যক্তি-পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে যে চরম অশ্রদ্ধাবোধ, আগ্রাসী ও আক্রমণাত্মক মনোভাবের সৃষ্টি হচ্ছে তা সামনে ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। এছাড়া মনের সুস্থতা ও মনের শান্তি বিঘ্নিত হলে এবং তার যথাযথ চিকিৎসা করা না হলে মানব আচরণের অস্বাভাবিকতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে সমাজে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিস্তৃতি ঘটবে। এজন্য সমাজে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

মাহমুদুর রহমান আরো বলেন, মানসিক রোগ শারীরিক ও সামাজিক নানা কারণেই হতে পারে। এর চিকিৎসাও হতে হয় বায়ো-সাইকো স্যোসাল মডেল অনুযায়ী। অর্থাৎ মানসিক রোগের ক্ষেত্রে ওষুধ ও সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এজন্য মানসিক রোগীদের সুস্থতার ক্ষেত্রে বড় সহায়ক হচ্ছে মানসিক সাপোর্ট।

উক্ত মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি ড. জাফর আহম্মেদ খান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো.শামসুদ্দিন ইলিয়াস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসরীন ওয়াদুদ, সমিতির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো.কামাল উদ্দিন, ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. কামরুজ্জামান মজুমদারসহ প্রমুখ।