২৬শে জুলাই, ২০১৭ ইং
Breaking::

ঈদের ছুটিতে বেড়ানোর ধুম

test

ঈদের লম্বা ছুটিতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দার্জিলিংয়ের পাহাড়ে যাচ্ছেন চারুশিল্পী আরাফাত রুবেল। আর বন্ধুদের নিয়ে সিলেটে বেড়াতে যাচ্ছেন ইউসুফ আহমেদ।
একটা সময় অবকাশ পেলেই পৈতৃক নিবাসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ছুটতেন লোকজন। এখন অনেকে ছুটি পেলেই পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ছুটছেন বিভিন্ন অবকাশযাপন কেন্দ্রে। দুই ঈদে সেটা পরিণত হয় জনস্রোতে।

পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ঈদের লম্বা ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ মানুষ দেশের ভেতরের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যাবেন।

আর এক থেকে দেড় লাখ মানুষ পাড়ি জমাচ্ছেন দেশের বাইরের বিভিন্ন অবকাশকেন্দ্রে। বেশির ভাগের গন্তব্য ভারত ও নেপাল। তবে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীনসহ নানা দেশে যাচ্ছেন অনেকে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং ট্যুর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ মুহূর্তে দেশের সব হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট মিলিয়ে দিনে সর্বোচ্চ দেড় লাখ মানুষের থাকার সুযোগ রয়েছে। এর অর্ধেকই কক্সবাজারে। এ ছাড়া কুয়াকাটায় ১০ হাজার এবং সিলেট ও মৌলভীবাজারে ১৫ হাজার লোকের থাকার ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া রাজধানী ঢাকার চারপাশে গড়ে উঠছে শতাধিক রিসোর্ট। সেগুলোয় হাজার সাতেক লোকের থাকার ব্যবস্থা আছে। ঈদের ছুটি সামনে রেখে এগুলোর ৭০ ভাগই বুকিং হয়ে গেছে।

বাঙালির ভ্রমণের বাতিক খুব সাম্প্রতিক ঘটনা বলে উল্লেখ করে টোয়াবের পরিচালক ও জার্নি প্লাসের প্রধান তৌফিক রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ভ্রমণপিয়াসী মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দুই ঈদে সেটা সবচেয়ে বেশি হয়। সামর্থ্যবানেরা ছুটিতে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন। অনেকেই দেশের ভেতরে বেড়াবেন। এগুলো পর্যটনের জন্য ভালো লক্ষণ।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভ্রমণবিষয়ক সবচেয়ে বড় গ্রুপের নাম ট্রাভেলারস অব বাংলাদেশ। সেখানে ঈদ সামনে রেখে মানুষ কক্সবাজার, বান্দরবান, সাজেক, সিলেট, টাঙ্গুয়ার হাওরসহ বিভিন্ন জায়গায় বেড়ানোর কথা বলছেন। আর তরুণেরা মিরসরাইয়ের খইয়াছড়া, বান্দরবানের নাফাকুম, আমিয়াকুম, সিলেটের বিছনাকান্দি কিংবা রাতারগুলের মতো জায়গাগুলোতে বেড়াতে যাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.